পদোন্নতিবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় পদোন্নতির দাবি জানিয়েছেন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে প্রায় ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. মোতাহের হোসেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ১৪ অক্টোবরের একটি স্মারকের নির্দেশনা অনুযায়ী সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি নিয়মিতকরণ বা সমন্বয় ব্যতীত নিয়মিত পদোন্নতি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনে বিলম্ব এবং নীতিগত জটিলতার অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পদোন্নতি কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা ও বৈষম্য তৈরি হয়েছে।
মানববন্ধন থেকে ছয় দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো— সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি আত্মীকরণ বা সমন্বয় নিয়মিতকরণের অজুহাতে নিয়মিত পদোন্নতি বন্ধ করা যাবে না; ২০২৪ সালের শূন্যপদ অনুযায়ী এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কাট-অফ ডেট ভিত্তিতে প্রত্যেক ব্যাংকের নিজস্ব পদোন্নতি নীতিমালা অনুসারে নিয়মিত পদোন্নতি দিতে হবে; রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রস্তাবিত নতুন অর্গানোগ্রাম আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদন করতে হবে; নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর তিন ধাপে সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি নিয়মিতকরণ করতে হবে এবং প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ভিত্তিক দ্বিতীয় দফা পদোন্নতি দিতে হবে; রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের কর্মচারীদের পদোন্নতি নীতিমালা–২০২৫ সংশোধন করতে হবে অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের আদলে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে ও পদোন্নতিবঞ্চিতদের বিশেষ ব্যবস্থায় পদোন্নতি দিতে হবে।