চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ড্রতে জমে উঠেছে ইউরোপের ক্লাবগুলোর লড়াই। আবারও ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি রিয়াল মাদ্রিদ। অপরদিকে পিএসজিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে চেলসি আর ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা।
আরেক ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলকে যেতে হবে ইস্তাম্বুলে।গালাতাসারায়ের বিপক্ষে তাদের লড়াই সহজ হবে না। গত সেপ্টেম্বরের লিগ পর্বে তুরস্কে ১-০ গোলে হেরেছিল আর্নে স্লটের দল। অন্যদিকে প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকার লড়াইয়ে থাকা টটেনহ্যাম মুখোমুখি হবে আতলেতিকো মাদ্রিদের। তুলনামূলক স্বস্তির ড্র পেয়েছে আর্সেনাল।তাদের প্রতিপক্ষ বায়ার লেভারকুসেন।
সিটি ও রিয়াল দ্বৈরথের বিজয়ী কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে আতালান্তা বা বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে। চেলসি ও লিভারপুল নিজেদের ম্যাচ জিতলে শেষ আটে হতে পারে ইংলিশ দ্বৈরথ। নিউক্যাসল ও টটেনহ্যাম নিজ নিজ স্প্যানিশ প্রতিপক্ষকে হারালে তারাও মুখোমুখি হতে পারে।
আর্সেনাল লেভারকুসেনকে পেরোতে পারলে কোয়ার্টারে পাবে বোদো/গ্লিম্ট ও স্পোর্টিং লিসবনের মধ্যকার জয়ী দলকে। ড্রতে সেমিফাইনালের সম্ভাব্য পথও নির্ধারিত হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শেষ চারে ইংলিশ ক্লাবগুলোর লড়াইয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে ক্লাব বিশ্বকাপে সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছিল চেলসি ও পিএসজি। সেবার এনজো মারেস্কার অধীনে ৩-০ গোলে জিতেছিল লন্ডনের ক্লাবটি।নিউক্যাসল ও বার্সেলোনার মুখোমুখি লড়াই ঘিরেও রয়েছে উত্তেজনা। স্যার ববি রবসন দুই ক্লাবেই কোচিং করিয়েছেন। ১৯৯৭ সালে সেন্ট জেমস পার্কে বার্সার বিপক্ষে নিউক্যাসলের ৩-২ জয়ে ফাউস্তিনো আসপ্রিয়ার হ্যাটট্রিক এখনও ভুলে যাওয়ার মত নয়।
দুই দল চলতি মৌসুমের লিগ পর্বেও মুখোমুখি হয়েছিল। সেপ্টেম্বরের সেই ম্যাচে হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনা ২-১ গোলে জিতেছিল। মার্কাস রাশফোর্ড করেছিলেন দুই গোল।
শেষ ষোলোর ম্যাচগুলোর প্রথম লেগ হবে আগামী ১০ ও ১১ মার্চ। ফিরতি লেগ অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ মার্চ।