বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।
বগুড়া-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বগুড়া (সদর)- ৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ভাইকে বিএনপির গুলশান দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলো।’
এর আগে গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল এ দুই আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকা ১৪৫ শেরপুর-৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বৈধভাবে মনোনীত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের মৃত্যুজনিত কারণে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১৭ অনুচ্ছেদের ২ দফার বিধান অনুসারে নির্বাচন কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১১ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে ওই নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১১ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শূন্য ঘোষিত নির্বাচনী এলাকা ৪১ বগুড়া-৬ আসন থেকে একজন জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের নির্বাচন কমিশন আহ্বান জানাচ্ছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে ২ মার্চ পর্যন্ত। ৫ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন রিটার্নিং অফিসার। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত, আর ১১ মার্চ আপিল নিষ্পত্তি করা হবে।
এ ছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। এরপর ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ করবে ইসি। মাঝে প্রচারণা শেষে ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ করা হবে।
তফসিল অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শেরপুরের উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, আগের নির্বাচনী সময়সূচি ঘোষণার পর যাদের নাম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে, তাদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না এবং জামানতের অর্থও জমা দিতে হবে না।