News Headline :
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় ‘ইনক্রেডিবল ওয়েডিংস ফেস্টিভ্যাল’ ৩১ জুলাই চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ – বাউবি শিক্ষার্থী সাব্বিরের চোখের আলো নিভে গেল মোদি সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো সিজেপি ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’-এ শাকিব-পূর্ণিমা মুক্তি পেল বিজয়ের শেষ সিনেমা, কে কত টাকা পারিশ্রমিক পেলেন? শিক্ষার্থীদের ‘শান্তিপূর্ণ’ আন্দোলন নিয়ে যা বললেন সালমান খান সহশিল্পীর বিরুদ্ধে জোর করে চুমু ও মারধরের অভিযোগ অভিনেত্রীর বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা, সঙ্গে বড় ঘোষণা আতিফ আসলামের দেশে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে বিশ্ব কাঁপানো ৪টি সিনেমা মামদানি চাইলেই কি গ্রেপ্তার হবেন না নেতানিয়াহু
রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন দুই হাজার কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা।একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দুই হাজার ৪৯৯ কোটি ৩৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

গত ১১ নভেম্বর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মাধ্যমে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে আমদানি পণ্যের বিল বাবদ ১৫০ কোটি ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ। ফলে আইএমএফের হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ১৮ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে। দেড় মাসে বৈদেশিক মুদ্রার এই সঞ্চয় বাড়তে বাড়তে আবারও ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।

রিজার্ভের তিনটি হিসাব সংরক্ষণ করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রথমটি হলো বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভ। দ্বিতীয়টি হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি। এতে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত তহবিল বা ঋণের অর্থ বাদ রাখা হয়।  

তৃতীয়টি হলো ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ, বর্তমানে যা ১৫ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা নিচে। দেশে ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশের রিজার্ভ এখন প্রায় চার মাসের আমদানি মূল্য মেটানোর অবস্থায় রয়েছে।

করোনা পরবর্তী সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে শেষ নাগাদ নিট রিজার্ভ নামে ২৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলারে। এ সময় বৈশ্বিক উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রার আহরণের ক্ষেত্রটা সংকুচিত হতে থাকে।

এ অবস্থায় জ্বালানি ও জরুরি খাদ্যপণ্য আমদানিতে ডলারের চাহিদা বাড়তে থাকে। উল্টোদিকে ডলার বিক্রি করার কারণে কমে  যায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। এরপর বৈদেশিক ঋণ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে আবার রিজার্ভ বাড়ানো হয়।

বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার যোগ হচ্ছে প্রতিদিনই। এর ধারাবাহিকতায় ক্রমেই বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2026 EU BANGLA NEWS