News Headline :
উপসাগরীয় দেশ ইউএই-ওমানকে যুক্ত করবে রেলপথ, নির্মাণের ৪০ শতাংশ সম্পন্ন হরমুজ প্রণালীতে দুটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরান কঠোর অবস্থানে আইএমএফ ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে ডায়েট কোকের সংকট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল বোরো মৌসুমে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার মাহবুবুর রহমান সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেন: বাণিজ্যমন্ত্রী নেপালের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান শিল্পমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে খেয়াঘাটের দরপত্র নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি সংঘর্ষ, আহত ৫ চট্টগ্রামে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ: প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিকে ঐতিহাসিক বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিকে ঐতিহাসিক বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) মার্কিন রাষ্ট্রদূত ঢাকায় তার দায়িত্ব পালনের ১০০ দিনের পূর্তিতে এক ভিডিও বার্তায় তিনি একথা বলেন।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন। আমি তা বাস্তবে রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত তার বার্তায় দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আগামী দিনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা নিয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছেন।

বার্তায় তিনি বলেন, আমি ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার আগমনের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হল।আমি ও আমার স্ত্রী ডিয়ান বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অভাবনীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। আমরা দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশকে জানার সুযোগ উপভোগ করছি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণ করছি, পহেলা বৈশাখের উৎসবে আনন্দ করেছি, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছি এবং একজন স্থানীয় ব্লগারের সঙ্গে নতুন সব খাবারের স্বাদ নিচ্ছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমাদের চাওয়ার ছিল না।

তিনি আরও বলেন, আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এখানে এসেছি। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঠিক আগে। আমার দেশ যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম দেশ হিসেবে নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি আমাদের বাণিজ্য ঘাটতির ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং উভয় দেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে আমি বাংলাদেশের সর্বত্র মার্কিন ব্যবসায়ীদের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

অভিবাসন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি মোকাবেলায় একত্রে কাজ করছি এবং একটি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করছি। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা যক্ষ্মা ও হামের মতো রোগ মোকাবেলা করছি। এ ছাড়া আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে থাকা বৃহত্তম দাতা দেশ হিসেবে আমাদের অবস্থান ধরে রেখেছি। সেই সঙ্গে এই সমস্যার একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমি আরও একটি বিশেষ বছরে এখানে এসেছি। সামনে আমেরিকার ২৫০তম জন্মদিন। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। কারণ আমরা বাংলাদেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির ২৫০ বছর উদযাপন করব।

সামনের দিনগুলো নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এ আরও রাষ্ট্রদূত বলেন, ১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরও কি কি অর্জন করতে পারব, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সবাই ভালো থাকবেন, আবার দেখা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023 EU BANGLA NEWS